বনগাঁয় ৭ কেন্দ্রে চতুর্থ শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা, রাজ্যজুড়ে পরীক্ষার্থী দেড় লক্ষের বেশি

Class-IV-scholarship-examination-held-at-7-centres-in-Bongaon-over-150000-candidates-appear-across-the-state

প্রতিনিধি, বনগাঁ : শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং প্রাথমিক স্তরে পাস-ফেল প্রথা পুনরায় চালুর দাবিকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে অনুষ্ঠিত হল চতুর্থ শ্রেণির শেষ বৃত্তি পরীক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন পর্ষদ, পশ্চিমবঙ্গের উদ্যোগে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই পরীক্ষায় এবছর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অংশ নিয়েছে দেড় লক্ষেরও বেশি পড়ুয়া। বনগাঁ মহকুমাতেও একাধিক কেন্দ্রে পরীক্ষা ঘিরে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসাহ দেখা গিয়েছে।

Megh-Balikar-Deshe

প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন পর্ষদের উদ্যোগে এই বৃত্তি পরীক্ষার সূচনা হয়েছিল ১৯৯২ সালে। প্রাথমিক স্তরে ইংরেজিতে পাস-ফেল এবং বৃত্তি পরীক্ষা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের নেতৃত্বে এই উদ্যোগ শুরু হয়। পরবর্তীতে করোনা পরিস্থিতির কারণে টানা দু’বছর পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। তবে করোনা পরবর্তী সময়ে স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্যোগে ফের রাজ্যজুড়ে নিয়মিতভাবে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

পর্ষদ সূত্রে খবর, উচ্চ মাধ্যমিক সেমিস্টার পরীক্ষার দিন পরিবর্তনের কারণে এবছর বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচিও সংশোধন করতে হয়। পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত চলে পরীক্ষা। প্রতিদিন সকাল ৭টা ১৫ মিনিট থেকে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়।

Bholanath-Oil

এদিকে, বনগাঁ আঞ্চলিক কমিটির উদ্যোগে নিউ বনগাঁ হাইস্কুল-সহ গোপালনগরের বিভিন্ন এলাকায় মোট সাতটি পরীক্ষাকেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়। স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় প্রতিটি কেন্দ্রে পরীক্ষা পরিচালিত হয়েছে।

Creation-Photoworld

পর্ষদের দাবি, শুধুমাত্র বৃত্তি প্রদানই নয়, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, পাস-ফেল প্রথা পুনরায় চালু এবং শিক্ষার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলাই এই পরীক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য। সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগে রাজ্যজুড়ে এত বিপুল সংখ্যক পড়ুয়ার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন দাবি ও সমস্যাকে আরও বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরতে চাইছে পর্ষদ।

Sarbabhauma-Samachar

Post a Comment

Previous Post Next Post