গান্ধীপল্লী বিবেকানন্দ স্পোর্টিং ক্লাবের পুজোমণ্ডপ পরিদর্শনে খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া, সঙ্গে পুলিশ সুপার-সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। একই দিনে মতিগঞ্জের ঐক্য সম্মিলনী ক্লাবের পুজো উদ্বোধন নিয়েও জল্পনা।
সায়ন ঘোষ, বনগাঁ : শারদোৎসবকে কেন্দ্র করে বনগাঁর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা। শহরের দুই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ। গান্ধীপল্লী বিবেকানন্দ স্পোর্টিং ক্লাবের পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন করতে আগামী ১৩ অক্টোবর বনগাঁয় আসার কথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। রবিবার সকালে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়ার সমাজমাধ্যমে করা পোস্টে এই খবর সামনে আসে। অন্য দিকে, একই দিনে মতিগঞ্জের ঐক্য সম্মিলনী ক্লাবের পুজোও মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করতে পারেন বলে স্থানীয় সূত্রে জল্পনা ছড়িয়েছে।
রবিবার সকালে গান্ধীপল্লী বিবেকানন্দ স্পোর্টিং ক্লাবের পুজোমণ্ডপ পরিদর্শনে যান ক্লাবের অন্যতম সদস্য তথা রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দফতর এবং সমবায় দফতরের মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বনগাঁ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার বিদিশা কলিতা দাসগুপ্ত-সহ প্রশাসনের একাধিক আধিকারিক। পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী জানান, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। কলকাতার পর বনগাঁর দুর্গাপুজোরও বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। আগামী ১৩ অক্টোবর দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে গান্ধীপল্লি বিবেকানন্দ স্পোর্টিং ক্লাবের পুজোর উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি আসছেন বলে তিনি জানান।

অন্য দিকে, হাবড়ার বিজেপি বিধায়ক দেবদাস মণ্ডলের সঙ্গে যুক্ত বনগাঁর আরেক ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মতিগঞ্জের ঐক্য সম্মিলনী ক্লাবের পুজোও এ বার বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রে। চলতি বছরে ৬০ বছরে পা দিয়েছে এই পুজো। অযোধ্যার রামমন্দিরের আদলে মণ্ডপ নির্মাণের পরিকল্পনা ঘিরে ইতিমধ্যেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
ফলে একই দিনে বনগাঁর দুই গুরুত্বপূর্ণ পুজোমণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতির সম্ভাবনা ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।
তবে ঐক্য সম্মিলনী ক্লাবের পুজো উদ্বোধনের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা সামনে আসেনি। সব মিলিয়ে, এ বছরের শারদোৎসবে বনগাঁর পুজো এবং তাকে ঘিরে রাজনৈতিক সমীকরণের দিকে নজর থাকছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।





