সমাচার ওয়েবডেস্ক : এক মাসের মধ্যে সান্দাকফুতে দুই পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনার পর এবার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় জোর দিল গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ)। সান্দাকফুতে যাওয়ার আগে প্রত্যেক পর্যটক ও ট্রেকারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মানেভঞ্জন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই পরীক্ষা করা হবে। এ বিষয়ে জিটিএ-র পর্যটন বিভাগ একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) জারি করেছে।
উল্লেখ্য, গত
৩০ সেপ্টেম্বর সান্দাকফুতে ট্রেকিং করতে গিয়ে মৃত্যু
হয় কোচবিহারের তুফানগঞ্জের বাসিন্দা, ২৬ বছরের প্রিয়তোষ
অধিকারীর। এর পর গত
২০ অক্টোবর সান্দাকফু থেকে ফেরার পথে
টুমলিংয়ে মৃত্যু হয় উত্তর ২৪
পরগনার বারাসতের বাসিন্দা, ৪৮ বছরের বুবাই
পালের। প্রাথমিকভাবে, উচ্চতাজনিত সমস্যায় রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া এবং
হৃদ্রোগের মতো কারণকে এই
দুই মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা
হচ্ছে।
প্রসঙ্গত,
এই দুই ঘটনাই বিচ্ছিন্ন
নয়। গত দু’-এক
বছরে সান্দাকফুতে একাধিক পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে।
এরপর থেকেই পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সান্দাকফুতে যাওয়ার
আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি উঠছিল
পর্যটন মহলে।
সমুদ্রপৃষ্ঠ
থেকে অনেকটা উঁচুতে অবস্থিত সান্দাকফুতে ট্রেকিংয়ের সময় উচ্চতাজনিত অসুস্থতার
ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে শারীরিক সমস্যা
থাকলে সেই ঝুঁকি আরও
বাড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে পর্যটক
ও ট্রেকারদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিল
জিটিএ। নতুন নির্দেশিকা কার্যকর
হলে সান্দাকফু যাত্রার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষার
মাধ্যমে পর্যটকদের শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হবে বলে
মনে করা হচ্ছে।




