সুমিত অধিকারী, কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে রাজস্থান-সহ দেশের একাধিক রাজ্যের রেল যোগাযোগ আরও মজবুত করতে চালু হল সাঁতরাগাছি-টাটানগর-জয়পুর (খাতিপুরা) এক্সপ্রেস। নতুন এই ট্রেন পরিষেবার সূচনায় দীর্ঘপথের যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যবসা, কাজের সূত্রে যাতায়াত এবং পর্যটনের ক্ষেত্রে এই ট্রেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
সোমবার, ২৬ অক্টোবর সাঁতরাগাছি-টাটানগর-জয়পুর (খাতিপুরা) এক্সপ্রেসের উদ্বোধনী যাত্রার সূচনা হয়। টাটানগর স্টেশনে সাংসদ বিদ্যুৎ বরণ মাহাতো ট্রেনটিকে সবুজ পতাকা দেখিয়ে যাত্রার সূচনা করেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ট্রেনটির উদ্বোধন করেন। অন্যদিকে, সাঁতরাগাছি স্টেশন থেকেও ট্রেনটির উদ্বোধনী কর্মসূচি ছিল।
রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই নতুন পরিষেবা যাত্রীদের সামনে আরও একটি বিকল্প খুলে দিল। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ঝাড়খণ্ড হয়ে রাজস্থানের জয়পুর পর্যন্ত যাতায়াতের ক্ষেত্রে ট্রেনটি বিশেষ সুবিধা দিতে পারে। পাশাপাশি, পথে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রাবিরতি থাকায় বিভিন্ন এলাকার মানুষও এই পরিষেবার সুবিধা পাবেন।
টাটানগর, রাঁচি, পুরুলিয়া, প্রয়াগরাজ, কানপুর ও আগরার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সঙ্গে রেলপথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই ট্রেনের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে দূরপাল্লার ট্রেনের উপর নির্ভরশীল যাত্রীদের কাছে নতুন পরিষেবাটি যাতায়াতের সুযোগ বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, রাজস্থানের জয়পুর শুধু পর্যটনের জন্য নয়, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং ধর্মীয় ভ্রমণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। ফলে এই ট্রেন চালু হওয়ায় পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের সুবিধা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজস্থানে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সরাসরি রেল পরিষেবার গুরুত্বও বাড়বে।
নতুন ট্রেন পরিষেবা চালুর ফলে একদিকে যেমন যাত্রীদের যাতায়াতের সুযোগ বাড়বে, তেমনই বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নিয়মিত পরিষেবার সময়সূচি, তবে যাত্রার দিন এবং টিকিট সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এখনও রেলের সরকারি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়নি।




